প্রশ্নব্যাংক: যুদ্ধ ও অভিযান

৪০টি প্রশ্ন। আগে নিজে ভাবুন, তারপর "উত্তর দেখুন"-এ চাপ দিন।

  1. ১. “বদর যুদ্ধ” কোন ধরনের অভিযান?

    1. ক. সারিয়্যা (প্রেরিত বাহিনী)
    2. খ. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: খ. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)

    বদর যুদ্ধ: ১৭ রমজান, ২ হিজরি (৬২৪ খ্রি.)। মুসলিম ও মক্কার কুরাইশদের মধ্যে প্রথম বড় যুদ্ধ। সংখ্যায় অনেক কম হয়েও মুসলিমরা বিজয় লাভ করেন। কুরআনে দিনটিকে ‘ইয়াওমুল ফুরকান’ বলা হয়েছে। ফলাফল: মুসলিমদের বিজয়। কুরাইশদের ৭০ জন নিহত ও ৭০ জন বন্দী হয়। বিস্তারিত

  2. ২. “বদর যুদ্ধ”-এ মুসলিম বাহিনী আনুমানিক কতজন ছিলেন?

    1. ক. প্রায় ৩০,০০০ জন
    2. খ. প্রায় ৩,০০০ জন
    3. গ. প্রায় ১,৪০০ জন
    4. ঘ. প্রায় ৩১৩ জন
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ঘ. প্রায় ৩১৩ জন

    বদর যুদ্ধ: ১৭ রমজান, ২ হিজরি (৬২৪ খ্রি.)। মুসলিম ও মক্কার কুরাইশদের মধ্যে প্রথম বড় যুদ্ধ। সংখ্যায় অনেক কম হয়েও মুসলিমরা বিজয় লাভ করেন। কুরআনে দিনটিকে ‘ইয়াওমুল ফুরকান’ বলা হয়েছে। ফলাফল: মুসলিমদের বিজয়। কুরাইশদের ৭০ জন নিহত ও ৭০ জন বন্দী হয়। বিস্তারিত

  3. ৩. “বদর যুদ্ধ”-এ প্রতিপক্ষ কারা ছিল?

    1. ক. মক্কার কুরাইশ
    2. খ. সম্মিলিত বাহিনী (আহযাব)
    3. গ. রোমান বাহিনী
    4. ঘ. হাওয়াযিন ও সাকীফ গোত্র
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ক. মক্কার কুরাইশ

    বদর যুদ্ধ: ১৭ রমজান, ২ হিজরি (৬২৪ খ্রি.)। মুসলিম ও মক্কার কুরাইশদের মধ্যে প্রথম বড় যুদ্ধ। সংখ্যায় অনেক কম হয়েও মুসলিমরা বিজয় লাভ করেন। কুরআনে দিনটিকে ‘ইয়াওমুল ফুরকান’ বলা হয়েছে। ফলাফল: মুসলিমদের বিজয়। কুরাইশদের ৭০ জন নিহত ও ৭০ জন বন্দী হয়। বিস্তারিত

  4. ৪. “বনু কাইনুকা অভিযান” কোন ধরনের অভিযান?

    1. ক. সারিয়্যা (প্রেরিত বাহিনী)
    2. খ. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: খ. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)

    বনু কাইনুকা অভিযান: শাওয়াল, ২ হিজরি (৬২৪ খ্রি.)। বদরের পর মদিনার ইহুদি গোত্র বনু কাইনুকা চুক্তি ভঙ্গ করলে তাদের অবরোধ করা হয়। শেষে তারা মদিনা ছেড়ে চলে যায়। ফলাফল: অবরোধের পর বনু কাইনুকা মদিনা ছেড়ে চলে যায়। বিস্তারিত

  5. ৫. “উহুদ যুদ্ধ” কোন ধরনের অভিযান?

    1. ক. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)
    2. খ. সারিয়্যা (প্রেরিত বাহিনী)
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ক. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)

    উহুদ যুদ্ধ: শাওয়াল, ৩ হিজরি (৬২৫ খ্রি.)। মদিনার উপকণ্ঠে উহুদ পাহাড়ের পাদদেশে যুদ্ধ। তীরন্দাজদের একাংশ অবস্থান ছেড়ে দেওয়ায় মুসলিমরা বিপর্যয়ের মুখে পড়েন। হামযা (রা.) ও মুসআব (রা.) এই যুদ্ধে শহীদ হন। ফলাফল: শুরুতে মুসলিমরা এগিয়ে থাকলেও তীরন্দাজদের একাংশ অবস্থান ছাড়ায় বিপর্যয় ঘটে। ৭০ জন সাহাবী শহীদ হন। বিস্তারিত

  6. ৬. “উহুদ যুদ্ধ”-এ মুসলিম বাহিনী আনুমানিক কতজন ছিলেন?

    1. ক. প্রায় ১২,০০০ জন
    2. খ. প্রায় ৭০০ জন
    3. গ. প্রায় ১০,০০০ জন
    4. ঘ. প্রায় ৩০,০০০ জন
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: খ. প্রায় ৭০০ জন

    উহুদ যুদ্ধ: শাওয়াল, ৩ হিজরি (৬২৫ খ্রি.)। মদিনার উপকণ্ঠে উহুদ পাহাড়ের পাদদেশে যুদ্ধ। তীরন্দাজদের একাংশ অবস্থান ছেড়ে দেওয়ায় মুসলিমরা বিপর্যয়ের মুখে পড়েন। হামযা (রা.) ও মুসআব (রা.) এই যুদ্ধে শহীদ হন। ফলাফল: শুরুতে মুসলিমরা এগিয়ে থাকলেও তীরন্দাজদের একাংশ অবস্থান ছাড়ায় বিপর্যয় ঘটে। ৭০ জন সাহাবী শহীদ হন। বিস্তারিত

  7. ৭. “উহুদ যুদ্ধ”-এ প্রতিপক্ষ কারা ছিল?

    1. ক. মক্কার কুরাইশ
    2. খ. রোমান ও মিত্র আরব বাহিনী
    3. গ. হাওয়াযিন ও সাকীফ গোত্র
    4. ঘ. রোমান বাহিনী
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ক. মক্কার কুরাইশ

    উহুদ যুদ্ধ: শাওয়াল, ৩ হিজরি (৬২৫ খ্রি.)। মদিনার উপকণ্ঠে উহুদ পাহাড়ের পাদদেশে যুদ্ধ। তীরন্দাজদের একাংশ অবস্থান ছেড়ে দেওয়ায় মুসলিমরা বিপর্যয়ের মুখে পড়েন। হামযা (রা.) ও মুসআব (রা.) এই যুদ্ধে শহীদ হন। ফলাফল: শুরুতে মুসলিমরা এগিয়ে থাকলেও তীরন্দাজদের একাংশ অবস্থান ছাড়ায় বিপর্যয় ঘটে। ৭০ জন সাহাবী শহীদ হন। বিস্তারিত

  8. ৮. “বনু নাযীর অভিযান” কোন ধরনের অভিযান?

    1. ক. সারিয়্যা (প্রেরিত বাহিনী)
    2. খ. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: খ. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)

    বনু নাযীর অভিযান: রবিউল আউয়াল, ৪ হিজরি (৬২৫ খ্রি.)। মদিনার ইহুদি গোত্র বনু নাযীর রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে হত্যার ষড়যন্ত্র করলে তাদের অবরোধ করা হয়। পরে তারা মদিনা ছেড়ে খায়বারসহ বিভিন্ন স্থানে চলে যায়। ফলাফল: অবরোধের পর বনু নাযীর মদিনা থেকে নির্বাসিত হয়। বিস্তারিত

  9. ৯. “বনু মুস্তালিক অভিযান” কোন ধরনের অভিযান?

    1. ক. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)
    2. খ. সারিয়্যা (প্রেরিত বাহিনী)
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ক. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)

    বনু মুস্তালিক অভিযান: শাবান, ৫ হিজরি (৬২৭ খ্রি.)। মুরাইসি নামক কূপের কাছে বনু মুস্তালিকের বিরুদ্ধে অভিযান। এ সফর থেকে ফেরার পথে আয়েশা (রা.)-এর বিরুদ্ধে অপবাদের ঘটনা ঘটে, পরে কুরআনে তাঁর নির্দোষিতা ঘোষিত হয়। ফলাফল: মুসলিমদের বিজয়। বিস্তারিত

  10. ১০. “খন্দকের যুদ্ধ” কোন ধরনের অভিযান?

    1. ক. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)
    2. খ. সারিয়্যা (প্রেরিত বাহিনী)
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ক. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)

    খন্দকের যুদ্ধ: শাওয়াল, ৫ হিজরি (৬২৭ খ্রি.)। বহু গোত্রের সম্মিলিত বাহিনী (আহযাব) মদিনা আক্রমণ করতে এলে সালমান ফারসী (রা.)-এর পরামর্শে শহরের খোলা দিকে পরিখা খনন করা হয়। দীর্ঘ অবরোধের পর প্রবল ঝড়ো বাতাসে শত্রুবাহিনী ফিরে যায়। ফলাফল: দীর্ঘ অবরোধের পর ঝড়ো বাতাস ও বিভেদের কারণে শত্রুবাহিনী ফিরে যায়। বিস্তারিত

  11. ১১. “খন্দকের যুদ্ধ”-এ মুসলিম বাহিনী আনুমানিক কতজন ছিলেন?

    1. ক. প্রায় ৩,০০০ জন
    2. খ. প্রায় ৩১৩ জন
    3. গ. প্রায় ১২,০০০ জন
    4. ঘ. প্রায় ১,৪০০ জন
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ক. প্রায় ৩,০০০ জন

    খন্দকের যুদ্ধ: শাওয়াল, ৫ হিজরি (৬২৭ খ্রি.)। বহু গোত্রের সম্মিলিত বাহিনী (আহযাব) মদিনা আক্রমণ করতে এলে সালমান ফারসী (রা.)-এর পরামর্শে শহরের খোলা দিকে পরিখা খনন করা হয়। দীর্ঘ অবরোধের পর প্রবল ঝড়ো বাতাসে শত্রুবাহিনী ফিরে যায়। ফলাফল: দীর্ঘ অবরোধের পর ঝড়ো বাতাস ও বিভেদের কারণে শত্রুবাহিনী ফিরে যায়। বিস্তারিত

  12. ১২. “খন্দকের যুদ্ধ”-এ প্রতিপক্ষ কারা ছিল?

    1. ক. রোমান ও মিত্র আরব বাহিনী
    2. খ. মক্কার কুরাইশ
    3. গ. সম্মিলিত বাহিনী (আহযাব)
    4. ঘ. রোমান বাহিনী
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: গ. সম্মিলিত বাহিনী (আহযাব)

    খন্দকের যুদ্ধ: শাওয়াল, ৫ হিজরি (৬২৭ খ্রি.)। বহু গোত্রের সম্মিলিত বাহিনী (আহযাব) মদিনা আক্রমণ করতে এলে সালমান ফারসী (রা.)-এর পরামর্শে শহরের খোলা দিকে পরিখা খনন করা হয়। দীর্ঘ অবরোধের পর প্রবল ঝড়ো বাতাসে শত্রুবাহিনী ফিরে যায়। ফলাফল: দীর্ঘ অবরোধের পর ঝড়ো বাতাস ও বিভেদের কারণে শত্রুবাহিনী ফিরে যায়। বিস্তারিত

  13. ১৩. “বনু কুরাইযা অভিযান” কোন ধরনের অভিযান?

    1. ক. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)
    2. খ. সারিয়্যা (প্রেরিত বাহিনী)
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ক. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)

    বনু কুরাইযা অভিযান: যিলকদ, ৫ হিজরি (৬২৭ খ্রি.)। খন্দকের যুদ্ধের সময় মদিনার ইহুদি গোত্র বনু কুরাইযা চুক্তি ভঙ্গ করে শত্রুপক্ষে যোগ দেয়। যুদ্ধের পরপরই তাদের অবরোধ করা হয়। ফলাফল: অবরোধের পর সা'দ ইবনে মুআয (রা.)-এর ফয়সালায় নিষ্পত্তি। বিস্তারিত

  14. ১৪. “বনু কুরাইযা অভিযান”-এ মুসলিম বাহিনী আনুমানিক কতজন ছিলেন?

    1. ক. প্রায় ৩১৩ জন
    2. খ. প্রায় ৩,০০০ জন
    3. গ. প্রায় ৭০০ জন
    4. ঘ. প্রায় ১০,০০০ জন
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: খ. প্রায় ৩,০০০ জন

    বনু কুরাইযা অভিযান: যিলকদ, ৫ হিজরি (৬২৭ খ্রি.)। খন্দকের যুদ্ধের সময় মদিনার ইহুদি গোত্র বনু কুরাইযা চুক্তি ভঙ্গ করে শত্রুপক্ষে যোগ দেয়। যুদ্ধের পরপরই তাদের অবরোধ করা হয়। ফলাফল: অবরোধের পর সা'দ ইবনে মুআয (রা.)-এর ফয়সালায় নিষ্পত্তি। বিস্তারিত

  15. ১৫. “খায়বার বিজয়” কোন ধরনের অভিযান?

    1. ক. সারিয়্যা (প্রেরিত বাহিনী)
    2. খ. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: খ. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)

    খায়বার বিজয়: মুহাররম, ৭ হিজরি (৬২৮ খ্রি.)। মদিনার উত্তরে খায়বারের সুরক্ষিত দুর্গগুলো জয় করা হয়। আলী (রা.)-এর হাতে পতাকা তুলে দেওয়ার প্রসিদ্ধ ঘটনা এই অভিযানের। ফলাফল: খায়বারের দুর্গগুলো একে একে জয় করা হয়। বিস্তারিত

  16. ১৬. “খায়বার বিজয়”-এ মুসলিম বাহিনী আনুমানিক কতজন ছিলেন?

    1. ক. প্রায় ১০,০০০ জন
    2. খ. প্রায় ১,৪০০ জন
    3. গ. প্রায় ৩,০০০ জন
    4. ঘ. প্রায় ১২,০০০ জন
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: খ. প্রায় ১,৪০০ জন

    খায়বার বিজয়: মুহাররম, ৭ হিজরি (৬২৮ খ্রি.)। মদিনার উত্তরে খায়বারের সুরক্ষিত দুর্গগুলো জয় করা হয়। আলী (রা.)-এর হাতে পতাকা তুলে দেওয়ার প্রসিদ্ধ ঘটনা এই অভিযানের। ফলাফল: খায়বারের দুর্গগুলো একে একে জয় করা হয়। বিস্তারিত

  17. ১৭. “মুতার যুদ্ধ” কোন ধরনের অভিযান?

    1. ক. সারিয়্যা (প্রেরিত বাহিনী)
    2. খ. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ক. সারিয়্যা (প্রেরিত বাহিনী)

    মুতার যুদ্ধ: জুমাদাল উলা, ৮ হিজরি (৬২৯ খ্রি.)। শামের সীমান্তে রোমান ও তাদের মিত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রেরিত বাহিনী। রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে এতে ছিলেন না। যায়দ, জাফর ও আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রা.) একে একে শহীদ হন। ফলাফল: তিন সেনাপতি শহীদ হন। খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রা.) বাহিনীকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনেন। বিস্তারিত

  18. ১৮. “মুতার যুদ্ধ”-এ মুসলিম বাহিনী আনুমানিক কতজন ছিলেন?

    1. ক. প্রায় ৭০০ জন
    2. খ. প্রায় ১,৪০০ জন
    3. গ. প্রায় ৩১৩ জন
    4. ঘ. প্রায় ৩,০০০ জন
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ঘ. প্রায় ৩,০০০ জন

    মুতার যুদ্ধ: জুমাদাল উলা, ৮ হিজরি (৬২৯ খ্রি.)। শামের সীমান্তে রোমান ও তাদের মিত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রেরিত বাহিনী। রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে এতে ছিলেন না। যায়দ, জাফর ও আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রা.) একে একে শহীদ হন। ফলাফল: তিন সেনাপতি শহীদ হন। খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রা.) বাহিনীকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনেন। বিস্তারিত

  19. ১৯. “মুতার যুদ্ধ”-এ প্রতিপক্ষ কারা ছিল?

    1. ক. রোমান ও মিত্র আরব বাহিনী
    2. খ. রোমান বাহিনী
    3. গ. মক্কার কুরাইশ
    4. ঘ. সম্মিলিত বাহিনী (আহযাব)
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ক. রোমান ও মিত্র আরব বাহিনী

    মুতার যুদ্ধ: জুমাদাল উলা, ৮ হিজরি (৬২৯ খ্রি.)। শামের সীমান্তে রোমান ও তাদের মিত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রেরিত বাহিনী। রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে এতে ছিলেন না। যায়দ, জাফর ও আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রা.) একে একে শহীদ হন। ফলাফল: তিন সেনাপতি শহীদ হন। খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রা.) বাহিনীকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনেন। বিস্তারিত

  20. ২০. “মক্কা বিজয়” কোন ধরনের অভিযান?

    1. ক. সারিয়্যা (প্রেরিত বাহিনী)
    2. খ. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: খ. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)

    মক্কা বিজয়: রমজান, ৮ হিজরি (৬৩০ খ্রি.)। কুরাইশরা সন্ধি ভঙ্গ করলে দশ হাজার সাহাবী নিয়ে মক্কায় প্রবেশ। প্রায় রক্তপাতহীন এই বিজয়ের পর তিনি মক্কাবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন এবং কাবাকে মূর্তিমুক্ত করেন। বিলাল (রা.) কাবার ছাদে আযান দেন। ফলাফল: প্রায় রক্তপাতহীন বিজয়। মক্কাবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা। বিস্তারিত

  21. ২১. “মক্কা বিজয়”-এ মুসলিম বাহিনী আনুমানিক কতজন ছিলেন?

    1. ক. প্রায় ৩১৩ জন
    2. খ. প্রায় ৩০,০০০ জন
    3. গ. প্রায় ১,৪০০ জন
    4. ঘ. প্রায় ১০,০০০ জন
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ঘ. প্রায় ১০,০০০ জন

    মক্কা বিজয়: রমজান, ৮ হিজরি (৬৩০ খ্রি.)। কুরাইশরা সন্ধি ভঙ্গ করলে দশ হাজার সাহাবী নিয়ে মক্কায় প্রবেশ। প্রায় রক্তপাতহীন এই বিজয়ের পর তিনি মক্কাবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন এবং কাবাকে মূর্তিমুক্ত করেন। বিলাল (রা.) কাবার ছাদে আযান দেন। ফলাফল: প্রায় রক্তপাতহীন বিজয়। মক্কাবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা। বিস্তারিত

  22. ২২. “হুনাইনের যুদ্ধ” কোন ধরনের অভিযান?

    1. ক. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)
    2. খ. সারিয়্যা (প্রেরিত বাহিনী)
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ক. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)

    হুনাইনের যুদ্ধ: শাওয়াল, ৮ হিজরি (৬৩০ খ্রি.)। মক্কা বিজয়ের পরপরই হাওয়াযিন ও সাকীফ গোত্রের সাথে হুনাইন উপত্যকায় যুদ্ধ। সংখ্যার আধিক্যে আত্মতৃপ্তির পর শুরুতে বিপর্যয় ঘটে, পরে মুসলিমরা বিজয়ী হন। ফলাফল: শুরুতে বিপর্যয়ের পর মুসলিমদের বিজয়। বিস্তারিত

  23. ২৩. “হুনাইনের যুদ্ধ”-এ মুসলিম বাহিনী আনুমানিক কতজন ছিলেন?

    1. ক. প্রায় ৩১৩ জন
    2. খ. প্রায় ১০,০০০ জন
    3. গ. প্রায় ১২,০০০ জন
    4. ঘ. প্রায় ৭০০ জন
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: গ. প্রায় ১২,০০০ জন

    হুনাইনের যুদ্ধ: শাওয়াল, ৮ হিজরি (৬৩০ খ্রি.)। মক্কা বিজয়ের পরপরই হাওয়াযিন ও সাকীফ গোত্রের সাথে হুনাইন উপত্যকায় যুদ্ধ। সংখ্যার আধিক্যে আত্মতৃপ্তির পর শুরুতে বিপর্যয় ঘটে, পরে মুসলিমরা বিজয়ী হন। ফলাফল: শুরুতে বিপর্যয়ের পর মুসলিমদের বিজয়। বিস্তারিত

  24. ২৪. “হুনাইনের যুদ্ধ”-এ প্রতিপক্ষ কারা ছিল?

    1. ক. হাওয়াযিন ও সাকীফ গোত্র
    2. খ. সম্মিলিত বাহিনী (আহযাব)
    3. গ. রোমান বাহিনী
    4. ঘ. মক্কার কুরাইশ
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ক. হাওয়াযিন ও সাকীফ গোত্র

    হুনাইনের যুদ্ধ: শাওয়াল, ৮ হিজরি (৬৩০ খ্রি.)। মক্কা বিজয়ের পরপরই হাওয়াযিন ও সাকীফ গোত্রের সাথে হুনাইন উপত্যকায় যুদ্ধ। সংখ্যার আধিক্যে আত্মতৃপ্তির পর শুরুতে বিপর্যয় ঘটে, পরে মুসলিমরা বিজয়ী হন। ফলাফল: শুরুতে বিপর্যয়ের পর মুসলিমদের বিজয়। বিস্তারিত

  25. ২৫. “তায়েফ অবরোধ” কোন ধরনের অভিযান?

    1. ক. সারিয়্যা (প্রেরিত বাহিনী)
    2. খ. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: খ. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)

    তায়েফ অবরোধ: শাওয়াল, ৮ হিজরি (৬৩০ খ্রি.)। হুনাইনের পর পালিয়ে যাওয়া সাকীফ গোত্রকে তায়েফে অবরোধ করা হয়। কয়েক সপ্তাহ পর অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। ফলাফল: অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। পরের বছর সাকীফ গোত্র নিজেরাই এসে ইসলাম গ্রহণ করে। বিস্তারিত

  26. ২৬. “তাবুক অভিযান” কোন ধরনের অভিযান?

    1. ক. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)
    2. খ. সারিয়্যা (প্রেরিত বাহিনী)
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ক. গাযওয়া (রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে ছিলেন)

    তাবুক অভিযান: রজব, ৯ হিজরি (৬৩০ খ্রি.)। প্রচণ্ড গরম ও অভাবের সময় রোমান বাহিনীর মোকাবিলায় উত্তরে তাবুক পর্যন্ত অভিযান। উসমান (রা.) এ অভিযানে বিপুল দান করেন। এটি তাঁর জীবনের শেষ সামরিক অভিযান। ফলাফল: রোমান বাহিনী মুখোমুখি হয়নি। সংঘর্ষ ছাড়াই ফেরা। বিস্তারিত

  27. ২৭. “তাবুক অভিযান”-এ মুসলিম বাহিনী আনুমানিক কতজন ছিলেন?

    1. ক. প্রায় ৩০,০০০ জন
    2. খ. প্রায় ১২,০০০ জন
    3. গ. প্রায় ৩১৩ জন
    4. ঘ. প্রায় ১,৪০০ জন
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ক. প্রায় ৩০,০০০ জন

    তাবুক অভিযান: রজব, ৯ হিজরি (৬৩০ খ্রি.)। প্রচণ্ড গরম ও অভাবের সময় রোমান বাহিনীর মোকাবিলায় উত্তরে তাবুক পর্যন্ত অভিযান। উসমান (রা.) এ অভিযানে বিপুল দান করেন। এটি তাঁর জীবনের শেষ সামরিক অভিযান। ফলাফল: রোমান বাহিনী মুখোমুখি হয়নি। সংঘর্ষ ছাড়াই ফেরা। বিস্তারিত

  28. ২৮. “তাবুক অভিযান”-এ প্রতিপক্ষ কারা ছিল?

    1. ক. সম্মিলিত বাহিনী (আহযাব)
    2. খ. রোমান বাহিনী
    3. গ. রোমান ও মিত্র আরব বাহিনী
    4. ঘ. হাওয়াযিন ও সাকীফ গোত্র
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: খ. রোমান বাহিনী

    তাবুক অভিযান: রজব, ৯ হিজরি (৬৩০ খ্রি.)। প্রচণ্ড গরম ও অভাবের সময় রোমান বাহিনীর মোকাবিলায় উত্তরে তাবুক পর্যন্ত অভিযান। উসমান (রা.) এ অভিযানে বিপুল দান করেন। এটি তাঁর জীবনের শেষ সামরিক অভিযান। ফলাফল: রোমান বাহিনী মুখোমুখি হয়নি। সংঘর্ষ ছাড়াই ফেরা। বিস্তারিত

  29. ২৯. কোন অভিযানে মুসলিম বাহিনী বড় ছিল?

    1. ক. মক্কা বিজয়
    2. খ. খায়বার বিজয়
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ক. মক্কা বিজয়

    খায়বার বিজয়: প্রায় ১,৪০০ জন। মক্কা বিজয়: প্রায় ১০,০০০ জন। (প্রসিদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী আনুমানিক) বিস্তারিত

  30. ৩০. কোন অভিযানে মুসলিম বাহিনী বড় ছিল?

    1. ক. তাবুক অভিযান
    2. খ. বনু কুরাইযা অভিযান
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ক. তাবুক অভিযান

    বনু কুরাইযা অভিযান: প্রায় ৩,০০০ জন। তাবুক অভিযান: প্রায় ৩০,০০০ জন। (প্রসিদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী আনুমানিক) বিস্তারিত

  31. ৩১. কোন অভিযানে মুসলিম বাহিনী বড় ছিল?

    1. ক. হুনাইনের যুদ্ধ
    2. খ. মক্কা বিজয়
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ক. হুনাইনের যুদ্ধ

    মক্কা বিজয়: প্রায় ১০,০০০ জন। হুনাইনের যুদ্ধ: প্রায় ১২,০০০ জন। (প্রসিদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী আনুমানিক) বিস্তারিত

  32. ৩২. কোন অভিযানে মুসলিম বাহিনী বড় ছিল?

    1. ক. বনু কুরাইযা অভিযান
    2. খ. মক্কা বিজয়
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: খ. মক্কা বিজয়

    বনু কুরাইযা অভিযান: প্রায় ৩,০০০ জন। মক্কা বিজয়: প্রায় ১০,০০০ জন। (প্রসিদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী আনুমানিক) বিস্তারিত

  33. ৩৩. কোন অভিযানে মুসলিম বাহিনী বড় ছিল?

    1. ক. বদর যুদ্ধ
    2. খ. হুনাইনের যুদ্ধ
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: খ. হুনাইনের যুদ্ধ

    বদর যুদ্ধ: প্রায় ৩১৩ জন। হুনাইনের যুদ্ধ: প্রায় ১২,০০০ জন। (প্রসিদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী আনুমানিক) বিস্তারিত

  34. ৩৪. কোন অভিযানে মুসলিম বাহিনী বড় ছিল?

    1. ক. খায়বার বিজয়
    2. খ. বনু কুরাইযা অভিযান
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: খ. বনু কুরাইযা অভিযান

    বনু কুরাইযা অভিযান: প্রায় ৩,০০০ জন। খায়বার বিজয়: প্রায় ১,৪০০ জন। (প্রসিদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী আনুমানিক) বিস্তারিত

  35. ৩৫. কোন অভিযানে মুসলিম বাহিনী বড় ছিল?

    1. ক. উহুদ যুদ্ধ
    2. খ. খায়বার বিজয়
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: খ. খায়বার বিজয়

    উহুদ যুদ্ধ: প্রায় ৭০০ জন। খায়বার বিজয়: প্রায় ১,৪০০ জন। (প্রসিদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী আনুমানিক) বিস্তারিত

  36. ৩৬. কোন অভিযানে মুসলিম বাহিনী বড় ছিল?

    1. ক. তাবুক অভিযান
    2. খ. মক্কা বিজয়
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ক. তাবুক অভিযান

    মক্কা বিজয়: প্রায় ১০,০০০ জন। তাবুক অভিযান: প্রায় ৩০,০০০ জন। (প্রসিদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী আনুমানিক) বিস্তারিত

  37. ৩৭. কোন অভিযানে মুসলিম বাহিনী বড় ছিল?

    1. ক. বদর যুদ্ধ
    2. খ. তাবুক অভিযান
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: খ. তাবুক অভিযান

    বদর যুদ্ধ: প্রায় ৩১৩ জন। তাবুক অভিযান: প্রায় ৩০,০০০ জন। (প্রসিদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী আনুমানিক) বিস্তারিত

  38. ৩৮. কোন অভিযানে মুসলিম বাহিনী বড় ছিল?

    1. ক. উহুদ যুদ্ধ
    2. খ. তাবুক অভিযান
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: খ. তাবুক অভিযান

    উহুদ যুদ্ধ: প্রায় ৭০০ জন। তাবুক অভিযান: প্রায় ৩০,০০০ জন। (প্রসিদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী আনুমানিক) বিস্তারিত

  39. ৩৯. কোন অভিযানে মুসলিম বাহিনী বড় ছিল?

    1. ক. খন্দকের যুদ্ধ
    2. খ. বদর যুদ্ধ
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: ক. খন্দকের যুদ্ধ

    বদর যুদ্ধ: প্রায় ৩১৩ জন। খন্দকের যুদ্ধ: প্রায় ৩,০০০ জন। (প্রসিদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী আনুমানিক) বিস্তারিত

  40. ৪০. কোন অভিযানে মুসলিম বাহিনী বড় ছিল?

    1. ক. খায়বার বিজয়
    2. খ. মুতার যুদ্ধ
    উত্তর দেখুন

    উত্তর: খ. মুতার যুদ্ধ

    খায়বার বিজয়: প্রায় ১,৪০০ জন। মুতার যুদ্ধ: প্রায় ৩,০০০ জন। (প্রসিদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী আনুমানিক) বিস্তারিত